নিউজ ডেস্ক
২৯ মার্চ, ২০২৬, 4:34 PM
বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা সুনিধি চৌহান যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ গোটা বিশ্ব। আবেগপূর্ণ গায়কী দিয়ে স্টেজে উত্তাপ ছড়ানো এই গায়িকার সাফল্যের আড়ালে রয়েছে এক কঠিন সংগ্রামের গল্প।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে ভিন্ন ধর্মের হওয়া সত্ত্বেও কোরিওগ্রাফার ববি খানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সুনিধি। তার চেয়ে প্রায় ১৫ বছরের বড় ছিলেন ববি খান। তবে ভালোবাসার সেই ঘর এক বছরের মাথায় ভেঙে যায়। মুসলিম ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করায় সেই সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্কেও ফাটল ধরে সুনিধির।
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সুনিধি এক সাক্ষাৎকারে জানান, অল্প বয়সের সেই সিদ্ধান্তকে তিনি ভুল হিসেবে দেখেন না। তার কথায়, ‘অনেকেই এটিকে জীবনের বড় ভুল মনে করলেও, সেই অভিজ্ঞতাই তাকে আজকের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। যদি সেই ‘ভুল’ না করতেন, তাহলে হয়তো আজকের জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হতো না।’
২০০৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ‘ডিভোর্সি’ তকমা পাওয়ার পরের পথটা সহজ ছিল না সুনিধি চৌহানের। সে সময়ের রক্ষণশীল সমাজের নানা কটু কথা, সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি ভেঙে পড়েননি।
সুনিধির মতে, ভুল সম্পর্কে আটকে থাকার চেয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসাই সবচেয়ে বড় সাহসিকতা। ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি কখনো অপরাধবোধে ভোগেননি। বরং এটিকেই জীবনের ‘বড় জয়’ বলে মনে করেন।
ভুল মানুষকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়ায় চরম মূল্য দিতে হয় তাকে। বিচ্ছেদের পর চরম আর্থিক দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যায় সুনিধি। এমনকি তার কাছে ঘর বা অর্থ কিছুই ছিল না। সেই কঠিন সময়ে সঙ্গীত পরিচালক অনু মালিকের সহযোগিতা এবং পরবর্তীতে পরিবারের সমর্থন তাকে নতুন করে পথ দেখায়।
পরে ২০১২ সালে হিতেশ সোনিকের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন সুনিধি। এরপর ২০১৮ সালে তার জীবন আলোকিত করে জন্ম নেয় পুত্র সন্তান ত্যাগ।
নিউজ ডেস্ক
২৯ মার্চ, ২০২৬, 4:34 PM
বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা সুনিধি চৌহান যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ গোটা বিশ্ব। আবেগপূর্ণ গায়কী দিয়ে স্টেজে উত্তাপ ছড়ানো এই গায়িকার সাফল্যের আড়ালে রয়েছে এক কঠিন সংগ্রামের গল্প।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে ভিন্ন ধর্মের হওয়া সত্ত্বেও কোরিওগ্রাফার ববি খানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সুনিধি। তার চেয়ে প্রায় ১৫ বছরের বড় ছিলেন ববি খান। তবে ভালোবাসার সেই ঘর এক বছরের মাথায় ভেঙে যায়। মুসলিম ধর্মের ছেলেকে বিয়ে করায় সেই সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্কেও ফাটল ধরে সুনিধির।
বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে সুনিধি এক সাক্ষাৎকারে জানান, অল্প বয়সের সেই সিদ্ধান্তকে তিনি ভুল হিসেবে দেখেন না। তার কথায়, ‘অনেকেই এটিকে জীবনের বড় ভুল মনে করলেও, সেই অভিজ্ঞতাই তাকে আজকের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে। যদি সেই ‘ভুল’ না করতেন, তাহলে হয়তো আজকের জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হতো না।’
২০০৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ‘ডিভোর্সি’ তকমা পাওয়ার পরের পথটা সহজ ছিল না সুনিধি চৌহানের। সে সময়ের রক্ষণশীল সমাজের নানা কটু কথা, সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তবুও তিনি ভেঙে পড়েননি।
সুনিধির মতে, ভুল সম্পর্কে আটকে থাকার চেয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসাই সবচেয়ে বড় সাহসিকতা। ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি কখনো অপরাধবোধে ভোগেননি। বরং এটিকেই জীবনের ‘বড় জয়’ বলে মনে করেন।
ভুল মানুষকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়ায় চরম মূল্য দিতে হয় তাকে। বিচ্ছেদের পর চরম আর্থিক দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যায় সুনিধি। এমনকি তার কাছে ঘর বা অর্থ কিছুই ছিল না। সেই কঠিন সময়ে সঙ্গীত পরিচালক অনু মালিকের সহযোগিতা এবং পরবর্তীতে পরিবারের সমর্থন তাকে নতুন করে পথ দেখায়।
পরে ২০১২ সালে হিতেশ সোনিকের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন সুনিধি। এরপর ২০১৮ সালে তার জীবন আলোকিত করে জন্ম নেয় পুত্র সন্তান ত্যাগ।