নিউজ ডেস্ক
২৮ মার্চ, ২০২৬, 12:14 PM
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী আশার সঞ্চার হয়। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রত্যাশা পূরণের সম্ভাবনা দেখা দেয়। এরই মধ্যে পাকিস্তানের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ এবং ওই ফোনালাপে মার্কিন বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের অংশগ্রহণ ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, ইলন মাস্ক একজন বেসরকারি সাধারণ নাগরিক।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মোদি ফোন করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল দুই নেতার মধ্যে প্রথম ফোনালাপ।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুইজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এই ফোনালাপে ইলন মাস্কও ছিলেন। যুদ্ধের মতো সংবেদনশীল সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার কথোপকথনে কোনো বেসরকারি ব্যক্তির উপস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্পর্ক খুব ভালো, এবং এটি একটি গঠনমূলক আলোচনা ছিল।’
গত বছর সরকার থেকে ইলন মাস্কের বিদায়ের পর ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তবে এই ঘটনায় ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে।
তবে মাস্ক কেন এই ফোনালাপে ছিলেন বা তিনি কোনো কথা বলেছেন কি না—তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে, এই আলোচনায় মোদি হরমুজ প্রণালি খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজগম্য রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
নিউজ ডেস্ক
২৮ মার্চ, ২০২৬, 12:14 PM
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী আশার সঞ্চার হয়। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির প্রত্যাশা পূরণের সম্ভাবনা দেখা দেয়। এরই মধ্যে পাকিস্তানের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ এবং ওই ফোনালাপে মার্কিন বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কের অংশগ্রহণ ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, ইলন মাস্ক একজন বেসরকারি সাধারণ নাগরিক।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মোদি ফোন করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল দুই নেতার মধ্যে প্রথম ফোনালাপ।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুইজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এই ফোনালাপে ইলন মাস্কও ছিলেন। যুদ্ধের মতো সংবেদনশীল সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার কথোপকথনে কোনো বেসরকারি ব্যক্তির উপস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্পর্ক খুব ভালো, এবং এটি একটি গঠনমূলক আলোচনা ছিল।’
গত বছর সরকার থেকে ইলন মাস্কের বিদায়ের পর ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তবে এই ঘটনায় ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে।
তবে মাস্ক কেন এই ফোনালাপে ছিলেন বা তিনি কোনো কথা বলেছেন কি না—তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে, এই আলোচনায় মোদি হরমুজ প্রণালি খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজগম্য রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস