নিউজ ডেস্ক
১৫ মার্চ, ২০২৬, 4:25 PM
বিশ্বসংগীতের অঙ্গনে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি আর্থিক সাফল্যেও নতুন নজির গড়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। অর্থবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বর্তমানে তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এই বিপুল সম্পদের সুবাদে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর অবস্থান প্রায় ২ হাজার ১৭৭ নম্বরে।
যদিও বৈশ্বিক ধনকুবেরদের তুলনায় এই অঙ্ক এখনও অনেক কম। উদাহরণ হিসেবে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক–এর সম্পদের পরিমাণ কয়েক শ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে সুইফটের সম্পদ দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই তাঁর সম্পদ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংগীতের পাশাপাশি কৌশলী ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তই তাঁর এই আর্থিক সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। বিশ্লেষকদের মতে, সুইফটের সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, তাঁর সংগীত ক্যাটালগ থেকে নিয়মিত আয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রকাশিত পুরোনো ও নতুন গান এখনো বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়। বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, লাইসেন্সিং চুক্তি ও বিক্রির মাধ্যমে তাঁর গান থেকে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের আয় হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, নিজের প্রথম ছয়টি অ্যালবামের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। এই সিদ্ধান্তকে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়। এর ফলে নিজের সংগীত ভান্ডার থেকে আয়ের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছেন তিনি।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ তাঁর বিশ্বব্যাপী কনসার্ট ট্যুর।
সুইফটের সাম্প্রতিক কনসার্ট সিরিজ দ্য ইরাস ট্যুর বিশ্বজুড়ে বিপুল সাড়া ফেলেছে। বিশ্বের বহু শহরে টিকিট প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এই ট্যুরই তাঁর আয়ের অন্যতম বড় উৎসে পরিণত হয়েছে। সংগীতজগতে অনেক তারকাই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তবে টেইলর সুইফটের বিশেষত্ব হলো—তিনি শুধু একজন সফল গায়িকা নন, একই সঙ্গে দূরদর্শী উদ্যোক্তাও। এই কারণেই ফোর্বস তাঁকে প্রভাবশালী আমেরিকান উদ্যোক্তাদের তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। সাময়িকীটির ভাষায়, তিনি এমন এক শিল্পী, “যাঁকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
নিউজ ডেস্ক
১৫ মার্চ, ২০২৬, 4:25 PM
বিশ্বসংগীতের অঙ্গনে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি আর্থিক সাফল্যেও নতুন নজির গড়েছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। অর্থবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বর্তমানে তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এই বিপুল সম্পদের সুবাদে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর অবস্থান প্রায় ২ হাজার ১৭৭ নম্বরে।
যদিও বৈশ্বিক ধনকুবেরদের তুলনায় এই অঙ্ক এখনও অনেক কম। উদাহরণ হিসেবে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক–এর সম্পদের পরিমাণ কয়েক শ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে সুইফটের সম্পদ দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ২০২৫ সালেই তাঁর সম্পদ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংগীতের পাশাপাশি কৌশলী ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তই তাঁর এই আর্থিক সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি। বিশ্লেষকদের মতে, সুইফটের সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, তাঁর সংগীত ক্যাটালগ থেকে নিয়মিত আয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রকাশিত পুরোনো ও নতুন গান এখনো বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়। বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, লাইসেন্সিং চুক্তি ও বিক্রির মাধ্যমে তাঁর গান থেকে ধারাবাহিকভাবে বড় অঙ্কের আয় হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, নিজের প্রথম ছয়টি অ্যালবামের অধিকার পুনরুদ্ধার করা। এই সিদ্ধান্তকে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়। এর ফলে নিজের সংগীত ভান্ডার থেকে আয়ের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়েছেন তিনি।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ তাঁর বিশ্বব্যাপী কনসার্ট ট্যুর।
সুইফটের সাম্প্রতিক কনসার্ট সিরিজ দ্য ইরাস ট্যুর বিশ্বজুড়ে বিপুল সাড়া ফেলেছে। বিশ্বের বহু শহরে টিকিট প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এই ট্যুরই তাঁর আয়ের অন্যতম বড় উৎসে পরিণত হয়েছে। সংগীতজগতে অনেক তারকাই বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তবে টেইলর সুইফটের বিশেষত্ব হলো—তিনি শুধু একজন সফল গায়িকা নন, একই সঙ্গে দূরদর্শী উদ্যোক্তাও। এই কারণেই ফোর্বস তাঁকে প্রভাবশালী আমেরিকান উদ্যোক্তাদের তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। সাময়িকীটির ভাষায়, তিনি এমন এক শিল্পী, “যাঁকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।