নিউজ ডেস্ক
১৩ মার্চ, ২০২৬, 3:54 PM
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে আঘাত করেছে। এতে রণতরীটি অকার্যকর হয়ে উপসাগর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর নৌবাহিনী শুক্রবার এই দাবি করেছে। যদিও ওয়াশিংটন এই দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, রণতরীটি অপারেশন এপিক ফিউরি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, উপসাগরে অভিযানের সময় মার্কিন সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। তবে বিবৃতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা সম্ভাব্য হতাহতের কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, হামলার পর মার্কিন রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপকে ‘দ্রুতগতিতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে’ দেখা গেছে। তবে এই প্রতিবেদনেও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো বিস্তারিত নেই।
এদিকে সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, একটি ইরানি জাহাজ আব্রাহাম লিংকনের অনেক কাছে চলে আসায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেটিতে গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জাহাজটি আঘাত পেয়েছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানি জাহাজটির অবস্থা ও তার ক্রুদের পরিণতি অজানা।
এর আগেও আইআরজিসি একই রণতরীতে হামলার দাবি করেছিল। সেবার পেন্টাগন বলেছিল, ‘ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কাছেও পৌঁছায়নি।’
নিউজ ডেস্ক
১৩ মার্চ, ২০২৬, 3:54 PM
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে আঘাত করেছে। এতে রণতরীটি অকার্যকর হয়ে উপসাগর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর নৌবাহিনী শুক্রবার এই দাবি করেছে। যদিও ওয়াশিংটন এই দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, রণতরীটি অপারেশন এপিক ফিউরি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, উপসাগরে অভিযানের সময় মার্কিন সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। তবে বিবৃতিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা সম্ভাব্য হতাহতের কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, হামলার পর মার্কিন রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপকে ‘দ্রুতগতিতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে’ দেখা গেছে। তবে এই প্রতিবেদনেও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো বিস্তারিত নেই।
এদিকে সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, একটি ইরানি জাহাজ আব্রাহাম লিংকনের অনেক কাছে চলে আসায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সেটিতে গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে জাহাজটি আঘাত পেয়েছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইরানি জাহাজটির অবস্থা ও তার ক্রুদের পরিণতি অজানা।
এর আগেও আইআরজিসি একই রণতরীতে হামলার দাবি করেছিল। সেবার পেন্টাগন বলেছিল, ‘ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কাছেও পৌঁছায়নি।’