CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৯ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোচনায় জিনাত আরা  টাইটেল ঢাকা-৯ এর ‘ঘরের মেয়ে’ তাসনিম জারা, কিন্তু ভোটার ঢাকা-১১? ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকারহরণের অপকৌশল রুখতে হবে কুৎসা রটিয়ে ও ধাপ্পা দিয়ে জনগণের ভোট নেওয়া যায় না : মির্জা আব্বাস কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ 'জাহাজপোড়া ক্যাসেল' রিসোর্ট’র শুভ উদ্বোধন করলেন ডিআইজি ২২তম জাতীয় সিনিয়র ও জুনিয়র তায়কোয়ানডো সিনিয়রে আনসার ও জুনিয়রে বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন নড়াইল জেলা সমিতি রাজশাহীর নতুন সভাপতি দীপু, সম্পাদক তাজ মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে: মির্জা আব্বাস ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়? প্রশ্ন রিজভীর ন্যায়, ইনসাফ ও জবাবদিহিতার বাংলাদেশ গড়তে চাই.....ডা. শফিকুর রহমান

ভোটের মাঠে ৮ দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রাখার প্রস্তাব

#
news image

নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এবার ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন বাহিনী। গতকাল সোমবার নির্বাচন ঘিরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা চলে এ বৈঠক। ইসি সচিব বলেন, এবার ভোটে পাঁচ দিন আইন শৃঙ্খলা-বাহিনী রাখার পরিকল্পনা ছিল। গতকাল বৈঠকে আট দিন রাখার প্রস্তাব এসেছে। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে, কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনেক কিছু নির্বাচনে বাজেটের উপর নির্ভর করবে। বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি পরে সিদ্ধান্ত হবে। বৈঠক থেকে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি। সচিব জানান, নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ, ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং পুলিশের জন্য বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সচিব আখতার আহমেদ বলেন, সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজার থেকে এক লাখ সদস্য মোতায়েন থাাকবে। সবচেয়ে বেশি থাকবে আনসার বাহিনীর। আনসারের পাঁচ লাখ বা তার কিছু বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিভিন্ন বাহিনী থেকে বলা হয়েছে সর্বোচ্চ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু থাকবে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের অধীন নাকি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নিয়োগ হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। আরপিও সংশোধন হয়ে এলে সে বিষয়ে বলা যাবে।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও আট দিনের জন্য মাঠে নেমেছিল সশস্ত্র বাহিনী। তবে যাতায়াতের জন্য আরো পাঁচ দিন সময় নিয়েছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ দিন মাঠে ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ অক্টোবর, ২০২৫,  7:43 PM

news image

নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এবার ভোটের আগে ও পরে মোট আট দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন বাহিনী। গতকাল সোমবার নির্বাচন ঘিরে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র সচিব, ইসি সচিবসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। নির্বাচন ভবনে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা চলে এ বৈঠক। ইসি সচিব বলেন, এবার ভোটে পাঁচ দিন আইন শৃঙ্খলা-বাহিনী রাখার পরিকল্পনা ছিল। গতকাল বৈঠকে আট দিন রাখার প্রস্তাব এসেছে। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে, কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনেক কিছু নির্বাচনে বাজেটের উপর নির্ভর করবে। বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি পরে সিদ্ধান্ত হবে। বৈঠক থেকে কোনো ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি। সচিব জানান, নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার রোধ, ড্রোন ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং পুলিশের জন্য বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে। সচিব আখতার আহমেদ বলেন, সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজার থেকে এক লাখ সদস্য মোতায়েন থাাকবে। সবচেয়ে বেশি থাকবে আনসার বাহিনীর। আনসারের পাঁচ লাখ বা তার কিছু বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। বিভিন্ন বাহিনী থেকে বলা হয়েছে সর্বোচ্চ যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু থাকবে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের অধীন নাকি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নিয়োগ হবে তা এখনো ঠিক হয়নি। আরপিও সংশোধন হয়ে এলে সে বিষয়ে বলা যাবে।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী রোজার আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও আট দিনের জন্য মাঠে নেমেছিল সশস্ত্র বাহিনী। তবে যাতায়াতের জন্য আরো পাঁচ দিন সময় নিয়েছিল। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ দিন মাঠে ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।